Reselling (রিসেলিং): রিসেলিং আমরা দুটো উপায়ে করে থাকি; আপনি অন্যের পণ্য কিনে নিজের লাভ যোগ করে বিক্রি করেন। অথবা কাস্টমারের কাছ থেকে অর্ডার সংগ্রহ করে তা কোম্পানীর কাছে হস্তান্তর করেন। কোম্পানী বিক্রয় কার্য সম্পন্ন করে আপনাকে কমিশন প্রদান করেন।
Direct Selling (ডিরেক্ট সেলিং): আপনি সরাসরি কোম্পানি/ব্র্যান্ডের পণ্য গ্রাহকের কাছে বিক্রি করেন এবং নিয়মিত কাস্টমার সম্পর্ক ও বিক্রয় নেটওয়ার্ক বা সেলস টীম তৈরি করেন। এখানে নিজে প্রথমে ক্রেতা এরপর সেলস টীম গঠন করার পর টীম লিডারের ভূমিকা পালন করতে হয়।
মূল বৈশিষ্ট্যঃ
Reseller পণ্য বিক্রি করে লাভ করে।
Direct Seller পণ্য বিক্রির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি customer relationship ও sales network তৈরি করে।
কীভাবে Reseller থেকে Direct Seller হওয়া যায়?
- একটি নির্ভরযোগ্য কোম্পানী/ব্র্যান্ড নির্বাচন করুন
- নিজের কাস্টমার বেস তৈরি করুন
- পণ্যের ব্যবহার ও সুবিধা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করুন
- অনলাইন + অফলাইন সরাসরি বিক্রয় করুন
- Repeat Customer তৈরি করুন
- ব্যবসার নিয়মানুযায়ী অনুমতি নিয়ে অন্য বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণ ও টিম তৈরি করুন
- টীম মেম্বারদের সাথে নিয়ে পরিকল্পনা করুন এবং একে অন্যকে সহযোগিতা করুন
কেন ডিরেক্ট সেলিং বেশি প্রগ্রেসিভঃ
রিসেলিং হলো এককভাবে তৈরী করা প্লাটফর্ম যেখানে আপনি যতটুকু কাজ করতে সক্ষম হবেন ততটুকুই কমিশন পাবেন। আপনি প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে বা প্রতি মাসে যে পরিমাণ সেলস জেনারেট করতে পারবেন ততটুকু কমিশন অর্জন করতে পারবেন। অন্যদিকে ডিরেক্ট সেলিং আপনার সেলস টীম যত বড় হবে আপনার কমিশনও তত বাড়তে থাকবে যে কারনে ডিরেক্ট সেলস কমিশন লক্ষ এমনকি কোটি টাকাও সম্ভব।
ডিরেক্ট সেলিং সম্পর্কে যে ভুল তথ্য বা প্রপাগান্ডা আমাদের সমাজে প্রচলিত রয়েছে সে প্রপাগান্ডা থেকে বের হয়ে কাজে মনোযোগ দিতে হবে। পুরোনো ধারনা থেকে সরে আসতে হবে যাতে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৌশল ব্যবহার করে আমরা আরো বেশি সফলতার দিকে এগিয়ে যেতে পারি।
জানার জন্য প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সেমিনার, প্রশিক্ষন নিন এরপর সিদ্ধান্ত নিন আপনি আদৌ ডিরেক্ট সেলিং এর জন্য প্রস্তুত কিনা।
Comments